দেশবাংলাঅর্থনীতি

চা মালিকদের ভাগ্য বদলালেও ভাগ্য বদলায়নি শ্রমিকদের

মৌলভীবাজারে প্রায় দুইশ বছর ধরে বসবাসরত চা শ্রমিকদের শ্রমে-ঘামে, প্রতিবছর চা উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও,দারিদ্রতা তাদের পিছু ছাড়েনি।প্রতিবছর মে দিবস এলেই নানারকম আশ্বাস মিলে কিন্তু তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়না।করোনার মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও,শুধু মাস্ক আর সাবান ছাড়া অন্য কিছুই পায়নি তারা। প্রতিদিন ১২০ টাকার মজুরী দিয়ে চলে পুরো পরিবারের ভরন

চা দেশের অন্যতম রপ্তানীমূখী একটি শিল্প। সেই শিল্পে নিরলসভাবে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে,১৬৩টি বাগানের লক্ষাধিক শ্রমিক,তাদের অধিকাংশই নারী।শুধুমাত্র মৌলভী বাজারেই রয়েছে ৯২টি চা বাগান।বছরের পর বছর ধরে এসব চা বাগানে কর্মরত লক্ষাধিক শ্রমিক,দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। কিন্তু এখনও বেতন বৈষম্যসহ নানা বঞ্চনার শিকার তারা।

চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বলেছেন, করোনার ঝুঁকিতে শ্রমিকদের জীবনে নানারকম প্রভাব ফেলেছে। শ্রম আদালত না থাকায় বছরের পর বছর ধরে তারা যেমন অধিকার বঞ্চিত,তেমনি করোনায় আক্রান্ত হলেও, পাচ্ছেননা কোন সুযোগ সুবিধা।

করোনাকালীন সময়ে শুধুমাত্র বাগান কতৃপক্ষের দ্বারা বৃহৎ এই জনগোষ্ঠির সুরক্ষা ও তাদের দাবী দাওয়া পূরণ সম্ভব নয় জানিয়ে,সরকারের দৃর্ষ্টি চেয়েছেন বাগান কর্তৃপক্ষ।

চা শ্রমিক ও তাদের সন্তানদের জীবনমান উন্নয়নে বাগান কর্তৃপক্ষ এবং সরকার এগিয়ে আসবে, শ্রমিক দিবসে এমন প্রত্যাশা করছেন চা বাগানের অবহেলিত শ্রমিকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button