বাংলাদেশজনদুর্ভোগবিশ্ববাংলা

বিদেশফেরত প্রবাসীদের কোয়ারেন্টিনে ভোগান্তির অভিযোগ

দেশে আসা প্রবাসী শ্রমিকদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।তবে,সরকার নির্ধারিত হোটেলের তালিকা প্রকাশ না করা,ভাড়া নির্ধারণ এবং হোটেলের বুকিং নিয়ে,বিভিন্ন জটিলতার পাশাপাশি,প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে,কোন কোন হোটেলের বিরুদ্ধে।এমন অভিযোগের যৌক্তিক কারণ নেই দাবি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন প্রবাসীরা নিজেদের পছন্দমত হোটেলে ওঠেন।

করোনা সংক্রমণ রোধে ৩৮টি দেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে পয়লা মে থেকে শুরু হয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এই ৩৮টি দেশ থেকে কেউ বাংলাদেশে এলে তার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করে সরকার। এর মধ্যে বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রে আগতদের থাকতে হচ্ছে হোটেল কোয়ারেন্টিনে।

তবে, প্রবাসীদের অভিযোগ,সরকার নির্ধারিত হোটেলের নামসহ,তালিকা প্রকাশ করা হয়নি এবং সরকারি কোনও সংস্থার ওয়েবসাইটেও, এ বিষয়ে তথ্য পাচ্ছেন না তারা।ফলে, কোন হোটেলে কোয়ারেন্টিন থাকতে হবে,তাও জানেন না অনেকে।বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হোটেলের তালিকা ছড়িয়ে পড়লেও, সেখানে হোটেলের ভাড়া ও  যোগাযোগের নম্বর না থাকায়, বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে,হোটেল বুকিং দিচ্ছেন প্রবাসীরা।

প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে কোন কোন হোটেলের বিরুদ্ধে।দেশে আসার পর হোটেলগুলোর সেবা ও খাবারের মান নিয়েও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।

এসব বিষয়ে কথা বলতে চান না বেশিরভাগ হোটেল মালিকরা।তবে, প্রবাসীদের চাহিদা মত সেবা দিচ্ছেন বলে দাবী অনেক হোটেল মালিকদের।

এদিকে, প্রবাসী শ্রমিকদের সব অভিযোগ মানতে নারাজ, পররষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। করোনা পরীক্ষা ফি ৩ হাজার টাকা অনেক দেশের তুলনায় বেশি নয় বলে দাবি করেন তিনি। পররষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে চান না অনেক প্রবাসী।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button