দেশবাংলাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা

তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা।ফলে, গ্রামে বসেই পাওয়া যাচ্ছে শহরের সকল সুবিধা। এতে, মানুষের জীবনযাত্রার মান যেমন বেড়েছে,তেমনি আর্থিক ও সময়ের অপচয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি এগিয়ে যাচ্ছে গ্রাম,এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।শহরের সকল সুবিধা গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে দিতে, প্রান্তিক মানুষের নাগরিক সেবার অঙ্গীকার নিয়ে, ২০১০ সালে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্বোধন করেন,প্রধানমন্ত্রী।ফলে গ্রামের মানুষও এখন ঘরে বসে অনলাইন সুবিধা ভোগ করছেন।

নরসিংদীর রায়পুরা ছিলো যোগাযোগ ব্যবস্থায় পিছিয়ে পড়া একটি উপজেলা।এখানকার নয়াচরের  আব্দুল মান্নান,টাকার অভাবে লেখাপড়া করতে না পেরে, ২০০৮ সালে ঋণ নিয়ে, মোবাইল, কম্পিউটার আর ফটোকপি নিয়ে বসেন, স্থানীয় রাধাগঞ্জ বাজারে। ২০১০ সালে স্থানীয় আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা নিয়োগ পান,তিনি। পরে তার ইউডিসির সেবায় বদলে যায়,গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রা।ফলে, মান্নান পান,দেশসেরা উদ্যোক্তার স্বীকৃতি। এখন গ্রামের এই ইউডিসি থেকে মানুষ পাচ্ছেন, জন্ম-মৃত্যু সনদ,স্মার্টকার্ড,ই-পাসপোর্টসহ ৫৫টিরও অধিক নাগরিক সেবা।যা আগে শহর ছাড়া কল্পনাও করা যেতোনা।

শুধু মান্নান নয়,পলাশ উপজেলার মামুন,নরসিংদী শহরের সাবরিনা,আমেনা আক্তারসহ, অসংখ্য নারী-পুরষ কাজ করছেন, অনলাইনে। স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর ফলে তথ্যপ্রযুক্তি আরো একধাপ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি, তথ্য বাতায়ন ও গ্রামের ইউডিসিতে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনও একটি বড় সফলতা। ইউডিসি,দেশ রুপান্তরে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে বলে জানান,জেলা প্রশাসক।

সারাদেশে ৭ হাজারেরর অধিক ডিজিটাল সেন্টারে রয়েছে, ১৫ হাজার উদ্যাক্তো।এ থেকে মাসে সরকারী বেসরকারী, প্রায় ২৯০টিরও বেশি সেবা নিচ্ছেন ৬০ লাখ মানুষ। যার অধিকাংশই গ্রামের।এই আইসিটি খাতকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে, আগামীতে বিশ্ব দরবারে দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন সুধী মহল।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button