ঈদ জামাতে করোনা মুক্তি ও মুসলিম উম্মাহের শান্তি কামনা দোয়া

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজে অংশ নেন সর্বস্তরের মানুষ। এবার বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রবেশে ছিল পুলিশি নজরদাড়ি। মাস্ক পরা ও হ্যান্ডস্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুনাশক নিশ্চিত করে মুসল্লিদের প্রবেশ করানো হয় মসজিদে। ঈদগাহের পরিবর্তে জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হওয়া এই ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
সব ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসুল্লিরা ঈদের এই জামাতে নামাজ আদায় করেছেন।
খুতবা শেষে মোনাজাতে দেশ ও বিশ্ব মুসলমানের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা হয়।ভিন্ন পরিস্থিতিতে করোনা মহামারি থেকে পরিত্রাণের কামনা করা হয়।
এরপর বায়তুল মোকাররমে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। মুকাব্বির হাফেজ কারী হাবিবুর রহমান মেশকাত।
পরে সকাল ৯টা, ১০টায় তৃতীয় ও চতুর্থ জামাত এবং শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে।
সকাল ৯টায় তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক। মুকাব্বির থাকেন মাওলানা ইসহাক।
চতুর্থ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেমের। মুকাব্বির থাকবেন মো. আতাউর রহমান।
জাতীয় মসজিদে ঈদের পঞ্চম ও সবশেষ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ূর রহমান খান।
বাংলাটিভি/রাজ



