দেশবাংলা

শেরপুরের চরাঞ্চলের কৃষকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বেবি কর্ন ফসল

শেরপুরের চরাঞ্চলের কৃষকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বেবি কর্ন ফসল। অভিজাত চাইনিজ রেস্তোরায় পরিবেশন করা হয় বেবি কর্নের স্যুপসহ, নানা সুস্বাদু খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই জমিতে  একাধারে ফসল, গো-খাদ্য হিসেবে সবুজ গাছ, আবাদি জমির ফাঁকে আলু, বেগুন ও ডাল জাতীয় বিভিন্ন ফসল বুনে পাওয়া যায় অতিরিক্ত ফসল। যে কারণে এতে লাভ করা যায় দ্বিগুণ। তবে দেশে বেবি কর্নের সহজলভ্য বাজার তৈরি করা গেলে, এতে আগ্রহ বাড়বে চাষীদের।

শেরপুরের চরাঞ্চলের মাঠে হাসছে সবুজ বেবি কর্ণের ক্ষেত। খড়া সহিষ্ণু এ ফসলটি চরাঞ্চলের মাটিতে চাষের উপযোগী এবং স্বল্প পুঁজি ব্যয়ে দ্বিগুণ লাভজনক হওয়ায় দিনদিন বেবিকর্ণ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

তারা জানান, ১ একর জমিতে বেবিকর্ণ চাষে খরচ পড়ে মাত্র ৪০ হাজার টাকা। আর ফসল বিক্রি করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। পাশাপাশি গো-খাদ্য হিসাবে পাওয়া যায় ২২ টন সবুজ গাছ। এছাড়া বেবিকর্ণ গাছের ফাঁকে ফাঁকে বোনাস ফসল হিসাবে আলু, বেগুন, লাল শাক, পালং শাক ও ডাল জাতীয় ফসল আবাদ করে পাওয়া যায় অতিরিক্ত ফসল। এতে লাভবান হচ্ছেন তারা।

বেবি কর্ণের বাজার তৈরি করতে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ব্রিন্স প্রজেক্টের কর্মকর্তা।

বেবি কর্ণকে সহজলভ্য করতে, সরকারী,বেসরকারী সংস্থা এবং স্থানীয় চাইনিজ রেস্তোরার মালিকদের সাথে মতবিনিময় করে, বাজার তৈরি খুবই সহজ হবে বলে মনে করছেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক।

বাংলাদেশের মোট জমির প্রায় ৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় শূন্য দশমিক সাত দুই মিলিয়ন হেক্টর জমি চরাঞ্চল।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button