দেশবাংলাঅপরাধ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সেন্দিয়া গণহত্যা দিবস আজ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সেন্দিয়া গণহত্যা দিবস আজ। একাত্তরের এ দিনে রাজৈরের দেড় শতাধিক মুক্তিকামী মানুষকে পাক বাহিনী ও তাদের দোসর হত্যা করে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে গণহত্যায় প্রান হারানোদের স্মৃতি রক্ষার্থে স্মৃতিসৌধ নির্মাণে এলাকাবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা খুশি হলেও, নামের তালিকা এখনো দেয়া হয়নি। তবে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

১৯৭১ সালের মে মাস। পাক বাহিনী ও তাদের দোসররা মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের সেন্দিয়া,পলিতা,ছাতিয়ানবাড়ী ও খালিয়া গ্রামে প্রবেশ করেই বাড়ী ঘরে অগ্নি সংযোগ ও এলোপাথারী গুলি চালাতে থাকে। এ সময় আখক্ষেত এবং ঝোপ জঙ্গলে তল্লাসী চালিয়ে লুকিয়ে থাকা দেড় শতাধিক নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে তারা। পরে খালের পাশে ৬টি স্থানে দেড় শতাধিক মানুষকে মাটি চাপা দিয়ে রাখে তাদের আত্মীয় স্বজন।

 সেদিনের ধ্বংসযজ্ঞে বাবা,মা,ভাই,বোন ও স্বজন হারানো ৪ মাস বয়সী বেঁচে যাওয়া প্রবাসী প্রভাষ শিকারীর নিজস্ব অর্থায়ণে শহীদ স্মৃতি নির্মাণ করে। শহীদ স্মৃতি বেদিতে টাঙ্গানো হয় শহীদদের তালিকা। দীর্ঘদিন পরে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সরকারিভাবে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কল্পে ৩৪ লাখ ৯৯হাজার ৯৮২ টাকা বরাদ্ধ দেয়। স্মৃতিসৌধের ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে দিবসটি সরকারিভাবে পালন করার দাবি এলাকাবাসীর।

 সে সময় যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের নামটি স্মৃতিসৌধে সংরক্ষণের দাবী জানিয়েছেন, মুক্তি যুদ্ধকালীন খলিল বাহিনী প্রধান। স্মৃতিসৌধে শহীদদের নামফলক করা হবে বলে জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক। স্মৃতিসৌধে নিহতদের নামফলকসহ দিবসটি সরকারিভাবে পালন করা হবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

 বাংলাটিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button