বাংলাদেশআইন-বিচার

অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট সাংবাদিকতায় হুমকি

প্রায় একশ’ বছরের পুরনো ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের কোনও সুযোগ নেই বলে মত আইনজীবী ও বিশ্লেষকদের। এর মধ্য দিয়ে  অনুসন্ধানি সাংবাদিকতা হুমকির মুখে পড়বে এবং এতে করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুর্নীতি আরো  বাড়বে বলে মত তাদের।

সম্প্রতি সংবাদ সংগ্রহের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হেনস্তা ও লাঞ্চনার শিকার হন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম। মন্ত্রণালয়েরে এক উধ্বর্তন কর্মকর্তার কক্ষে কয়েক ঘন্টা আটকে রেখে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের আওতায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

মামলায় রাষ্ট্রীয় নথি চুরি এবং অনুমতি ছাড়া ছবি নেয়া ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।পরে আদালত সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে কারাগারে পাঠায়।

সাংবাদিকের ওপর এই আইনের ব্যবহারকে সাংবাদিকতার পরিপন্থী বলে মনে করেন  আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। এটি আইসিটি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন এই তিনি।

অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট মূলত গুপ্চরদের ক্ষেত্রে, এটা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে নয়। কোন সাংবাদিককে যদি অনুসন্ধানী রিপোর্ট বা বিশেষ রিপোর্ট করতে হয়, তখন তাকে নানান কৌশলে তথ্যগুলো নিতে হয় বলে মত দেন তিনি।

আর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গ্রেপ্তারের ঘটনা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে হুমকি স্বরুপ বলে মনে করেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা।

দুর্নীতি প্রতিরোধে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ব্যহত হয় এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের আরো সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

 

বাংলাটিভি/এস

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button