বাংলাদেশজনদুর্ভোগ

দুর্যোগ মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুত সরকার

বাতাসের গতি বেড়ে ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ। সকালে নিম্নচাপ থেকে ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত এটি। সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ২ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকাগুলো বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে সতর্ক করা হচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রাত নাগাদ আরো ঘনীভূত হবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থেকে ক্রমশ শক্তিশালী রুপ নিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ইয়াশ। আবহাওয়া তথ্য বলছে,বাতাসের গতিবেগ বৃদ্ধির পাশাপাশি আজ  রাতে এটি আরো ঘনীভূত হবে।ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে ভারতের উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে। তবে এর প্রভাবে পড়বে বাংলাদেশের খুলনা-সাতক্ষীরা উপকূলেও। সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের বিভিন্নস্থানে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক সভা হয়। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সরকার প্রস্তুতির কথা জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া, পর্যাপ্ত খাদ্য সামগ্রীর ব্যবস্থাসহ এবং মাঠ প্রশাসন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিবারই সাগরের ঘূর্নিঝড়-জলোচ্ছাসে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের বেড়িবাঁধ। নতুন ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কথা শুনে আতঙ্কিত এসব এলাকার মানুষ। অনেক ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাচ্ছেন।

উপকূলীয় প্রতিটি এলাকায় সতর্কতা মাইকিং করা হচ্ছে। মাঠ প্রশাসন বলছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় তারা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। মানুষকে সময়মতো আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে, খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম, প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম।

বাংলাটিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button