বাংলাদেশজনদুর্ভোগ

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্লাবিত উপকূলের বিভিন্ন গ্রাম

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল সাগর।দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর অনেক গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে ফসল ও মাছের ঘের।সেইসঙ্গে বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ো হওয়া বইছে।বাড়িঘরে পানি ঢুকে দুর্ভোগে রয়েছে,এসব এলাকার বাসিন্দারা।ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।

ঘূর্নিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বরিশাল থেকে ঢাকাসহ অভ্যন্তরিন সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষনার পর,ঘাটে এসে ফিরে যাচ্ছে লঞ্চযাত্রীরা।এতে পোহাতে হচ্ছে চরম এদিকে, থেমে থেমে ঝড়-বৃষ্টি অব্যাহত থাকায়,বরিশাল এবং আশপাশের এলাকায় ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল কয়রা, পাইকগাছা,দাকোপসহ বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায়,৫ লক্ষাধিক মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছেন।এদিকে, পাইকগাছা উপজেলার সিবসা নদীর কুমখালী পানির তোড়ে ফেটে গেছে বেড়ীবাঁধ ।

ভোলায় ঘূ‌র্ণিঝড় ইয়া‌সের প্রভা‌বে গা‌ছের ডাল ভেঙ্গে মোঃ আবু তাহের নামে  এক একজন মারা গেছেন।পা‌নি বৃ‌দ্ধি পে‌য়ে নিম্নাঞ্চ‌লের ৩৫টি গ্রাম প্লা‌বিত হয়ে পা‌নি ব‌ন্দি রয়েছেন,প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

পিরোজপুরের নদীগুলোতে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।জেলার কচা,সন্ধ্যা,বলেশ্বর ও কালীগঙ্গা নদীর জোয়ারের পানিতে প্রায় একশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় যশ এর প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষের পানি বেড়ে যাওয়ায়,৮শ কিলোমিটার বেড়িবাধ এর অধিকাংশ ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ।

মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি এবং ঝড়ো বাতাস বইছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব এলার্ট ওয়ান জারি করে, বিদেশী জাহাজগুলোকে সতর্কাবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

 কক্সবাজারে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাগরের ঢেউয়ের তান্ডবে বিলীন হয়ে যাচ্ছে দ্বীপের চারপাশ। পটুয়াখালীতে থেমে থেমে হালকা মাঝারি বৃষ্টিপাতসহ ঝড়ো হাওয়া বইছে।পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button