বাংলাদেশসরকার

চার বছরেও ফিরতে না পারায় রোহিঙ্গাদের হতাশা বাড়ছে

চার বছরেও নিজ দেশে ফিরতে না পারায় হতাশ রোহিঙ্গারা ভাসানচর থেকে পালিয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা- ইউএনএইচসিআর এর দুই সহকারী হাইকমিশনারের সাথে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় ইউএনএইচসিআর এর প্রতিনিধি দল জানায়, রোহিঙ্গারা উদগ্রীব হলেও তাদের ফিরে যাওয়া কঠিন, মিয়ানমার সরকারের অসহযোগিতায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।

বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনইচসিআর এর এসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনার ফর প্রটেকশন গিলিয়ান ট্রিগস ও এসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনার ফর অপারেশন রাউফ মাজুও’র সাথে ভাসানচরে অর্থায়ন ও জাতিসংঘের কার্যক্রম শুরু করাসহ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসার ৪ বছরেও নিজ দেশে ফিরতে না পারায় রোহিঙ্গারা হতাশ। শরনার্থীদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

এসময় জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গাদের রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের নেয়া উদ্যেগের প্রশংসা করে বলেন- মিয়ানমার সরকারের অসহযোগিতাপূর্ণ আচরণে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ক্রমশ জটিল হয়ে পড়েছে।

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জায়গা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পগুলোর চেয়ে ভালো উল্লেখ করে, মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসনে অব্যাহতভাবে পাশে থাকার কথা জানান জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা।

বাংলাটিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button