
জনশক্তি রপ্তানী খাতের প্রতারণা বন্ধে দালাল নিবন্ধনের কাজ করছে সরকার। তবে—শুধু দালাল নিবন্ধন নয়, পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করতে পারলে এখাতের শৃঙ্খলা ফিরবে বলে মনে করেন বায়রা সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টের মহাসচিব মোস্তফা মাহমুদ।আর অভিবাসন গবেষনা সংস্থা রামরু-র চেয়ারম্যান তাসনিম সিদ্দিকী বলছেন, বিদ্যমান কাঠামোতে নয়, আইনী প্রক্রিয়ার মধ্যে আনতে পারলে সুফল পাওয়া যাবে দালাল নিবন্ধন
বিদেশ যেতে দালালের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন এমন খবর নতুন কিছু না। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত গবেষনা পরিসংখ্যান বলছেন,১৯ শতাংশ লোক টাকা দিয়েও বিদেশে যেতে পারেন না। আবার যারা যেতে পারেন তাদেরকে গুনতে হয়ে সরকারী খরচের দ্বিগুণ কিংবা তারও বেশি।
অভিবাসী ব্যয় কমানোসহ বিদেশ গমনেচ্ছুদের হয়রানি বন্ধে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে সরকার।চলছে মধ্যস্বস্তভোগী ও দালালদেরকে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া।
এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে অভিবাসন বিষয়ক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রামরু বলছে,পুরো প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে করা হচ্ছে না। বিদ্যমান কাঠামোয় দালাল দূর করা সম্ভব নয়। তাঁদের আইনি কাঠামোতে আনার পরামর্শ রামরু চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকীর।
এদিকে, দালালদের বৈধতা নিশ্চিতের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট বায়রার নেতারা। শুধু দালাল নিবন্ধন নয়, পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজ করতে পারলে স্বচ্ছতা তৈরি হবে বলে মনে করেন জনশক্তি রপ্তানীকারক সংগঠনের এ নেতা।
পরিসংখ্যান সমীক্ষা বলছে, দালাল নিবন্ধন করে বছরে অন্তত ৩ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব। এমন বাস্তবতায় অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ থেকে সুফল পেতে হলে সুক্ষভাবে পর্যবেক্ষণের কোন বিকল্প নেই।
স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে দালাল নিবন্ধন করা গেলে প্রশাসনের কাছে দালালের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে বলে অভিমত জনশক্তি রপ্তানী খাতের বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাটিভি/ঢাকা।



