দেশবাংলাজনদুর্ভোগবাংলাদেশস্বাস্থ্য

দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। এ অবস্থায় অধিক সংক্রমিত এলাকা লকডাউনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। করোনার এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও সচেতনতা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। আর করোনায় রাজশাহীতে ৮ ও খুলনায় ৬জন রোগীর মৃত্যু রয়েছে। এদিকে, করোনা বিধিনিষেধ অমান্য করায় আর্থিক জরিমানা করছে প্রশাসন।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নাটোর পৌরসভা ও সিংড়া পৌরসভায় আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে ৭দিনের সর্বাত্নক লকডাউন। সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সকাল থেকেই শহরের বিভিন্নস্থানে অবস্থান নেয় প্রশাসন। বন্ধ করে দেয়া হয় সড়ক ও গলিপথ। ওষুধের দোকান,কাঁচাবাজার ছাড়া বন্ধ রয়েছে হোটেল-রেস্তরাসহ সব ধরনের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর ৫ জন,চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩ জন।

নওগাঁয় চলমান বিধিনিষেধ আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিধিনিষেধ কার্যকরে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথেষ্ট তৎপর থাকলেও সাড়া মিলছে না সাধারন মানুষদের।

খুলনায় করোনা হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে খুলনার তিন জন,যশোরের এক জন ও বাগেরহাটের দুই জন।

নোয়াখালী পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউনের ৫ম দিনে সড়কে গনপরিবহন ছাড়া সিএনজি অটো রিক্সাসহ অন্যান্য যানবাহন চলছে। দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেলেও অনেকটা ঢিলেঢালা ভাবে চলছে লকডাউন।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে করোনা প্রতিরোধে সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করায় ৪ টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সকালে কুমারখালী পৌরবাজার এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button