বাংলাদেশঅর্থনীতি

টমেটো চারার নার্সারির সফল উদ্যোক্তা শফিউল

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় টমেটো চারার নার্সারি করে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে  পরিচিতি লাভ করেছেন,শফিউল বর খোকন। তিনি চাকুরির পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন,নাভা এগ্রো বহুমুখী ফার্ম এবং ড্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চারা উৎপাদন করে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি শতাধিক লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছেন।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পোষ্ট মাষ্টার শফিউল খোকন,পাঁচ বিঘা জমিতে ড্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চারার নার্সারি করেন।তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাকুরী সূত্রে বসবাস    করলেও মাঝে মাঝে ছুটিতে এসে তার নাভা এগ্রো বহুমুখী ফার্ম দেখভাল করেন।

বনবেগুন হচ্ছে টমেটোর একটি জংলি জাত।এ বেগুনের চারার গোড়ার দিকের অংশের সঙ্গে টমেটোর চারার উপরের অংশ জোড়া দিয়ে করা হয় ড্রাফটিং। এ পদ্ধতিতে চারা বড় হয়ে ঢলে পড়েনা, রোগবালাইও তেমন হয়না। এছাড়াও একটি গাছে পাঁচ-দশ কেজি টমেটো হলে,ড্রাফটিং করা গাছে ফলন হয়,বিশ থেকে পঁচিশ কেজি। ড্রাফটিং করা চারা ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে রোপণ করতে হয়। প্রতিটি চারা ১০ থেকে ১২ টাকায় বিক্রি করেন শফিউল।নিজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও সরবরাহ করছেন।

শফিউলের মত অন্যান্য উদ্যোক্তাদেরও উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে ড্রাফটিং পদ্ধতিতে চারা রোপণে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ড্রাফটিং করা টমেটো গাছ পানি সহনীয়। ভারি বৃষ্টিপাতেও এই টমেটো গাছ নষ্ট হয় না। তাই ড্রাফটিং চারার চাহিদা অনেক বেশী।এবছর শফিউল ২০ লাখ চারার ড্রাফটিং করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button