বাজেটের লক্ষ্য মহামারি মোকাবেলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার: প্রধানমন্ত্রী

করোনা মহামারি মোকাবেলা করে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করাই এবারের বাজেটের মুল লক্ষ্য, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুপুরে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে, তিনি এ কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা থেকে রক্ষায় টিকার জন্য সবরকম যোগাযোগ করা হচ্ছে, দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে একটা সমস্যা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতিমধ্যে টিকা এসে গেছে।বেশি মূল্য দিয়ে কেনা হলেও, জনগণ বিনামূল্যেই করোনার টিকা পাবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া করোনায় শিক্ষাঙ্গনে যে স্থবিরতা এসেছে, টিকা দেয়ার পর তা কেটে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সংসদ নেতা।
শেখ হাসিনা বলেন, টিকার একটা সমস্যা হয়েছে। সেটা আমি আগেও বলেছি যে আমাদের টিকার একটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। টিকা নিয়ে যখন গবেষণা শুরু হয় তখন সব দেশের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি। ভারত থেকে যখন আমরা খবর পেলাম তাদের কাছ থেকে তখন আমরা কিনে ফেললাম নগদ টাকা দিয়ে। ভারতে যে আকারে করোনাভাইরাসের মহামারি দেখা দিল তখন রফতানি বন্ধ করে দিল।
তিনি বলেন, তারপর কিছুদিন আমাদের সমস্যা হয়েছে। ইতিমধ্যে টিকা এসে গেছে। ফাইজারের যে টিকা এসেছে আমরা বলেছি বিদেশে আমাদের শ্রমিক যারা যাচ্ছেন তাদের অগ্রাধিকার থাকবে এই টিকা পাওয়ার। গতকাল রাতে এবং আজকে সকালে ইতিমধ্যে মডার্না এবং সিনোফার্মের টিকা বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিনোফার্মের এই টিকা আমরা কিন্তু ক্রয় করেছি। এর আগে আমাদেরকে চীন থেকে কিছু টিকা উপহারও পাঠানো হয়েছে। ভারতও আমাদের কিছু উপহার দিয়েছে। এছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যেখানে যেখানে টিকা পাওয়া যাচ্ছে আমরা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করছি।
তিনি বলেন, আরো টিকা আমরা নিয়ে আসব কিনে। যত লাগে আমরা কিনব সেজন্য বাজেটে আলাদা টাকা রাখাই আছে। এজন্য কোনো চিন্তা হবে না। আমরা চীন, রাশিয়া থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া সব দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ করছি। যেখানে পাওয়া যাচ্ছে আমরা নিয়ে নিচ্ছি।
সংসদ নেতা বলেন, বিভিন্ন জেলায় যেহেতু করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে বিনা পয়সায় আমরা করোনা পরীক্ষা শুরু করে দিয়েছি। পয়সা লাগবে না কিন্তু তাদের পরীক্ষা করা এবং তাদেরকে দেখা। যেসব শ্রমিক বিদেশে যাচ্ছে ভ্যাকসিনে তাদেরকে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। ভ্যাকসিন নিয়ে যাতে তারা বিদেশে যেতে পারে এবং সেখানে যাতে তাদের কোয়ারেন্টাইন করতে না হয়।
বাংলাটিভি/শহীদ



