
কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনে, সংক্রমণরোধে রাজধানীতে দিনভরই তৎপর আইনশৃংখলা বাহিনী। তবে এরমধ্যেও অনেকেই ব্যক্তিগত কাজে বাইরে বের হন। রাস্তায় বের হবার যৌক্তির কারণ দেখাতে না পারলে, পড়তে হয় জিজ্ঞাসাবাদের মুখে, বিধি-নিষেধ ভঙ্গ করায় গুনতে হয় জরিমানাও।
নাজমুল হাসান পেশায় রং মিস্ত্রি, এসেছেন বাবাকে ডাক্তার দেখাতে। কিন্তু ফেরার পথে রিক্সা ভাড়া বেশী চাওয়ায় পায়ে হেঁটেই রওনা দিলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে।

করোনাকালীন সময় তেমন যাত্রী না থাকায়, আয় নেই অধিকাংশ রিক্সা চালকের। মানবেতর দিন কাটছে তাদের। কঠোর লকডাউনের মধ্যেও রাজধানীর সড়কে কোন কারণ ছাড়াই বাড়ির বাহির হয়েছেন অনেকে।
নগরীর মোড়ে মোড়েই ছিলো পুলিশ আর সেনাবাহিনীর কঠোর তৎপরতা। কেউ বাইরে থাকলেই পরতে হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে। অনেকক্ষেত্রে গুনতে হচ্ছে জরিমানাও। এছাড়া ভাইরাস সংক্রমণরোধে, জনসাধারণকে সচেতন করেন না আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
বাংলাটিভি/ এস



