
সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট খোলা রাখলে লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
০৫ জুলাই,সোমবার সকালে বিজয় সরণি এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ডিএনসিসি মেয়র একথা বলেন।
তিনি বলেন, বিজয় সরণি ফোয়ারাসহ ডিএনসিসি এলাকায় অবস্থিত সকল ফোয়ারাকে দৃষ্টিনন্দন ও সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।শপিংমল ও দোকানপাট মালিকদের সরকারী নির্দেশনাসহ প্রচলিত আইন ও বিধিসমূহ যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।
মেয়র বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জনকল্যাণমূলক সর্বাত্মক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে খাদ্য সহায়তাসহ যে কোন জরুরী সেবা গ্রহণের জন্য ৩৩৩ নম্বর সচল রয়েছে। যেকোনো অসহায় ও দুস্থ মানুষ ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করতে পারছেন। আতিকুল ইসলাম বলেন, “সবার ঢাকা” মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে যে কোন নাগরিক অতি সহজেই এলাকার রাস্তা, মশক, সড়ক বাতি, আবর্জনা, জলাবদ্ধতা, পাবলিক টয়লেট, নর্দমা ও অবৈধ স্থাপনা এই আটটি বিষয়ে সরাসরি তার মতামত কিংবা অভিযোগ ডিএনসিসির কাছে তুলে ধরতে পারছেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই উক্ত সমস্যার সমাধানও পাচ্ছেন
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নিজের পরিবারসহ শহর ও দেশকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আমাদের সকলকেই সরকারী নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধিসমূহ যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকাকে দখল, দূষণ ও দুষ্ট লোকের কবল থেকে মুক্ত করে সবার বাসযোগ্য একটি সুস্থ্য, সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের সনাতন পদ্ধতিতে হাজিরা গ্রহণের পরিবর্তে আধুনিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করা হবে। এর ফলে কেউ কর্মস্থলে উপস্থিত না হয়ে হাজিরা দিতে পারবেন না এবং দায়িত্বে অবহেলা করতে পারবে না।
বাংলাটিভি/শহীদ



