
সরকার ঘোষিত ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিনে রাস্তায় বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি, কোথাও কোথাও যানজটও দেখা গেছে,ব্যাংক খোলা ও কিছু অফিস খোলা থাকার কারণে রাস্তায় বেড়েছে গাড়ির সংখ্যা।এবং রাস্তায় বেড়েছে রিকশার সংখ্যাও। আজ সাত দিনব্যাপী কঠোর লকডাউন শুরুর ভেতরেই করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে সোমবার (৫ জুলাই)নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সময়সীমা আরও সাত দিন বাড়ানো হয়।
এবার লকডাউন কার্যকরে মাঠে রয়েছেন পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা। লকডাউনের শুরু থেকেই বিভিন্ন জায়গায় টহল দিতে দেখা গেছে তাদের। রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্টে তল্লাশি চালানো হয়েছে। যদিও সময়ের সঙ্গে তল্লাশি বা টহলের সংখ্যাও কমেছে।
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বের হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত গ্রেফতার ও জরিমানা করছেন। এ ছাড়া জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিতরা পরিচয়পত্র দেখানো ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তল্লাশির সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে তারা তাদের গন্তব্যে বা কর্মস্থলে যেতে পারছেন।
বর্তমান কঠোর লকডাউনকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি চেকপোস্ট পরিচালনা করছে। জনগণকে সচেতন করতে মাইকিং এর পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় অনেকেই রাস্তায় অযথা ঘোরাফেরা করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় তারা।
বাংলাটিভি/এস



