দেশবাংলাবাংলাদেশ

জরুরী দূর্যোগে সাড়া প্রদানে নারী মৈত্রী এবং একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ প্রচেষ্টা

কোভিড-১৯ সারাবিশ্বে মহামারী আকার ধারণ করেছে। ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশেও এর প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। এই ভাইরাস বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় মানুষকে সংক্রমিত করছে। মৃতের সংখ্যা ১৫০০০ এর বেশী ছাপিয়ে গিয়েছে সংক্রমণের হারও বর্তমানে প্রায় ৩০ শতাংশ।

বর্তমানে ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে কোভিড সংক্রমণের হার উর্দ্ধগতিতে অবস্থান করছে প্রতিদিন ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ১৫০ এর বেশি রয়েছে। যা সত্যিই আমাদের জন্য আশংকাজনক। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে লকডাউন এর যা কার্যকর হচ্ছে ১ জুলাই থেকে।

একশনএইড বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তায় নারী মৈত্রী এবং ইয়ুথ সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গেন্ডারিয়া ৪৫ এবং ৫১ নং ওয়ার্ড সহ আশেপাশের কমিউনিটির সুবিধাবঞ্চিত জনগণের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

কর্মহীন অবস্থায় দিনমজুর, রিক্সাচালক, রাস্তার পাশে সবজি বিক্রেতা, ফেরী ওয়ালা, মাছ বিক্রেতা, ভিক্ষুক এবং প্রতিবন্ধী এমন ১৩৩ জন পরিবারকে উপহার সামগ্রীসহ বহন করা জন্যও অনেককে ভাড়াও দেয়া হয়।

প্রচন্ড বৃষ্টিপাত এবং লক ডাউন সকল কিছু সামনে রেখে ইয়ুথ গ্রুপ এবং নারী মৈত্রীর দায়িত্বে এই সব উপকরণ নির্দিষ্ট ব্যক্তির হাতে পৌছেঁ দেয়ার কাজ চলছে গত এক সপ্তাহ যাবত। সব ধরণের সাস্থ্যবিধি মেনে এই কাজটি করার জন্য নারী মৈত্রী গেন্ডারিয়া মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন ব্যবহার করছেন। সম্পূর্ণ কাজের মনিটরিং এর জন্য ৪৫, ৪৬, ৪৭ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর জনাব সাথী আক্তার উপস্থিত ছিলেন। সেই সাথে ৪ সদস্যর ইয়ুথ সদস্য (সাগর, হামিম, আল আমিন এবং সোহান) মনিটরিং এর দায়িত্ব পালন করে।

বৃদ্ধ প্রতিবন্ধী গোলাপী বলেন, তার ঘরে এই সব উপহার তার প্রায় দেড় মাস সংসারের খাবারের প্রয়োজন মেটাবে।

সুমনার মা বলে এই্ খাবার আমার পরিবারের এক মাসের অভাব ঘুচাবে।

কাউন্সিলর সাথী আক্তার বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত নারী মৈত্রীর সাথে কাজ করছি  এবং দেখছি। নারী মৈত্রীর সব ধরণের কাজ আমাকে মুগ্ধ করে এবং অনুপ্রাণিত করে। এবছর সরকারি এবং বেসরকারিভাবে ত্রাণ নিয়ে তেমন কোন কাজ নেই বললেই চলে। এই দুঃসময়ে একশনএইড এবং নারী মৈত্রীর এই চমৎকার মানবিক কাজকে আমি সাধুবাদ জানাই।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button