
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের মধ্য দিয়ে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
সকালে, এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার: আইনি পর্যালোচনা শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার না হলে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও সম্ভব হতো না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেই, সব ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে প্রমাণ করতে হবে তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। কারণ তাকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করতে দেখা যায়নি। সে কারণে তাকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বলা ঠিক হবে কিনা?
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, আজকে দুঃখের সাথে বলতে হয়, কালকে একটি বিজ্ঞপ্তি পড়ছিলাম। এই খুনি জিয়াউর রহমান কালুরঘাটে প্রতিরোধ যদি গড়ে না তুলতো তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। আমি আজকে একটা কথা বলি, কালুরঘাটের প্রতিরোধের পরে ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেছিল নাকি সৈন্যরা করেছিল, সেটা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা থাকতে পারে। কথা হচ্ছে কালুরঘাটের সেই প্রতিরোধের পরেও কিন্তু ৯ মাস যুদ্ধ চলেছিল।
আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা সব দিক দিয়ে শত্রুকে পরাজিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে যুদ্ধ করে মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন। জিয়াউর রহমানকে প্রমাণ করতে হবে তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। কারণ হচ্ছে তার কর্মকাণ্ডে ভারতে যাওয়া ছাড়া, জেড ফোর্স নামের একটা বাহিনী ছাড়া আমরা কখনও দেখিনি যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করলেন। সে কারণে তাকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বলা সঠিক হবে কিনা সেটা মনে হয় বিতর্কযোগ্য।
বাংলাটিভি/ শহীদ



