fbpx
বাংলাদেশউন্নয়নসরকার

ভবিষ্যতে বর্ধিত পানির চাহিদা পূরণে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা মহানগরীতে ভবিষ্যতে বর্ধিত পানির চাহিদা পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ।

বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জে ঢাকা ওয়াসার বাস্তবায়নাধীন গন্ধবপুর ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পের ইন্টেক পাম্পিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।

ঢাকা ওয়াসার উদ্যোগে গন্ধবপুর ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, সায়দাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ফেইজ-৩) সহ বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে ঢাকা নগরবাসী এবং শিল্প কলকারখানায় পানি সরবরাহে কোনো সমস্যা থাকবে না। তিনি বলেন,  ঢাকা শহরে আগামী দিনে পানির যে চাহিদা বৃদ্ধি পাবে তা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে। মেঘনা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে ঢাকায় পানি সরবরাহে যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে এটি ২০২৩ সালে সমাপ্ত হবে এবং এ থেকে প্রতিদিন পঞ্চাশ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে।

মেঘনা নদীসহ বিভিন্ন নদী থেকে পানি ওয়াটার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে দূষণ মুক্ত করে নেওয়া হচ্ছে। ওয়াসার দায়িত্ব ঢাকা শহরের নাগরিকের বাসায় ওয়াটার রির্জাভে পানি পৌঁছানো এবং সেটি করতে প্রতিষ্ঠানটি সক্ষম হচ্ছে।

পদ্মা-জশলদিয়া ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে ঢাকা শহরে যে পারিমাণ পানি আসার কথা সে অনুযায়ী সংযোগ লাইন না থাকার কারণে তা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ওই প্লান্টে উৎপাদিত সম্পূর্ণ পানি শহরে নিয়ে এসে মানুষের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। বিদেশ একটি সংস্থা এই সরবরাহ লাইনে অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এটি না হলে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পানির এই সংযোগ লাইন স্থাপন করবে।

পদ্মা-জশলদিয়া প্রকল্পের মতো গন্ধবপুর প্রকল্পেও সংযোগ লাইন ছাড়াই প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে একই ঘটনা ঘটবে না। কারণ এখানে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এবং সংযোগ লাইন তৈরির কাজ সমানতালে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, মানুষের কাছে পানি পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা ঢাকাসহ সকল ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, পৌরসভাসহ অন্যান্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এতে দেশে বর্তমানে ৯৮ শতাংশের বেশি মানুষ এখন সুপেয় পানি পাচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে একশ’টি অর্থনৈতিক জোন তৈরি হচ্ছে। এগুলোতে শিল্পসহ বিভিন্ন ধরনের কলকারখানা গড়ে উঠবে। যেখানে ব্যাপক পানির প্রয়োজন হবে। এই চাহিদা পূরণ করতেও সরকার কাজ করছে। পরে তিনি ইনটেক পাম্পিং স্টেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং বিআইডব্লিউটিএ’র একটি জাহাজযোগে মেঘনা নদীর দখল ও দূষণ রোধে গৃহীত কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button