fbpx
অন্যান্যদেশবাংলা

বরিশালের বানারীপাড়ার ভাসমান সবজি চারা উৎপাদনকারী প্রান্তিক কৃষকরা

২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভাসমান সবজি চারা উৎপাদন করে আসছেন, বরিশালের বানারীপাড়ার চাষিরা। আর এখানকার উৎপাদিত চারাগুলো দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। তবে চাষিরা বলেছেন,স্বাস্থ্যসম্মত বীজের অভাবে যেমন মানসম্মত চারা উৎপাদন সম্ভব হয় না, তেমনি চারা রোপন কোরে বাম্পার ফলন পাচ্ছেননা প্রান্তিক কৃষকরা।

বরিশালের বানারীপাড়ার বিশারকান্দি,ইলুহারসহ কয়েকটি ইউনিয়নের জমিগুলো, বছরের বেশিরভাগ সময় পানিতে ডুবে থাকে। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায়, এখানকার কৃষকরা প্রায় ২০০ হেক্টর জমিতে কচুরিপানা,শ্যাওলা ও দুলালিলতা স্তরে স্তরে সাজিয়ে, বিশেষ প্রক্রিয়ায় ভাসমান বেড বা ধাপ তৈরির মাধ্যমে সবজি চারা উৎপাদন করে থাকেন। একেকটি ভাসমান বেড ৬০ থেকে ৯০ মিটার লম্বা,২ ফিট পুরু ও দেড় মিটার চওড়া হয়ে থাকে।

কচুরিপানাসহ বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ দিয়ে তৈরি ধাপের ওপর, বেগুন,পেপে,লাউ, শিম,কুমড়া,টমেটো,ঝিঙাসহ নানারকম সবজির বীজ রোপন করা হয়।

চাষিরা বলছেন,স্বাস্থ্যসম্মত বীজের অভাবে যেমন উৎপাদিত চারা মানসম্মত বা স্বাস্থ্যসম্মত হয় না, তেমনি চারা রোপন করে বাম্পার ফলনও পাচ্ছেন না তারা।

বাম্পার ফলনের জন্য কৃষকদের চারা উৎপাদনে সরকারীভাবে প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে বলে জানান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যান।

কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত স্বাস্থ্যসম্মত বীজসহ সার, কীটনাশক সরবরাহ করা হলে, ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ পদ্ধতির মাধ্যমে, সবজি চাষে বাম্পার ফলন আসবে বলে মনে করেন কৃষিবিদরা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button