fbpx
অর্থনীতিদেশবাংলা

মেহেরপুরে কৃষকদের সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখাচ্ছে কোরিয়ান সাউ পেরিলা

উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টি সমৃদ্ধ নতুন এক তৈলজাত ফসলের নাম পেরিলা। এ থেকে এসিড সমৃদ্ধ তেল আহরণ ছাড়াও, প্রাপ্ত খৈল গবাদিপশুর জন্য পুষ্টিকর খাবার ও জৈব সার হিসেবেও, ব্যবহার করা যায়। পেরিলা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, মেহেরপুরের গাংনীতে, পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু হয়েছে। কৃষি অফিস বলছে,সাউ পেরিলা -১, বাণিজ্যিকভাবে চাষে যেমন তেলের আমদানির পরিমান কমে যাবে,তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও আনতে পারে, যুগান্তকারী পরিবর্তন।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ব বিভাগের অধ্যাপক, ড. এইচ এম এম তারিক হোসেন, ২০০৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সংগ্রহ করেন পেরিলা। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় বীজ বোর্ড, সাউথ কোরিয়ান ভ্যারাইটির সাউ পেরিলা-১ নামে জাতটির নিবন্ধন দেয়। এই জাতটি দেশের আবহাওয়া উপযোগী করার মাধ্যমে, সাধারণভাবে সরিষা ভাঙানোর মতো করেই তেল পাওয়া যায়।

এ ফসলটির আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গাংনী উপজেলা কৃষি অফিস, স্থানীয় কৃষকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ও বীজ সরবরাহ করেন। প্রতি বিঘা জমিতে জমি প্রস্তুত থেকে ফসল মাড়াই পর্যন্ত খরচ হয়, মাত্র ১০ হাজার টাকা। আর এ থেকে পাওয়া সম্ভব ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

সাউ পেরিলা পতিত জমিতে চাষ করা সম্ভব। সেই সাথে দো ফসলি ও তিন ফসলি ছাড়াও, সাথী ফসল হিসেবে এর চাষ সম্ভব। সাউ পেরিলা চাষে মেহেরপুর অঞ্চলের চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ।

পেরিলা ফসলের চাষাবাদ সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে, অনেক কম মূল্যে পেরিলা তেল বাজারজাত করা সম্ভব বলে মনে করেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button