fbpx
বাংলাদেশপ্রধানমন্ত্রী

অর্থায়ন ছাড়া কার্যকর জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

পর্যাপ্ত, টেকসই ও সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়ন ছাড়া কার্যকর কর্মপরিকল্পনা সম্ভব নয়। দুঃখজনক ও হতাশাজনকভাবে এখন পর্যন্ত প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুত বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার সরবরাহ দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার কপ-২৬ ভেন্যুতে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম লিডারস ডায়ালগ : ফরজিং আ সিভিএফ-কপ-২৬ ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি প্যাক’ শীর্ষক সংলাপে এসব কথা বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং সিভিএফ-এর দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত অস্তিত্ব হুমকির মুখোমুখি হয়ে সিভিএফ সদস্যেরা, এই কপ-২৬-এ ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত—এ পাঁচ বছরের অভিযোজন ও প্রশমনের ৫০:৫০ আনুপাতিক হারে প্রতিবছর মোট ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন বিতরণের দাবি জানাই।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে সিভিএফ সদস্য দেশগুলোকে বেশি ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেরাই নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নিচ্ছে।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানে বাংলাদেশ ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ চালু করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কম-কার্বন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে আমাদের উন্নয়নের পথ নির্দেশনা দিতেই এ পরিকল্প নেওয়া হয়েছে। একইভাবে ৩৭ জন সিভিএফ সদস্য জলবায়ু সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য তাদের নিজস্ব জলবায়ু সহিষ্ণুতার পরিকল্পনা তৈরি করবে।

প্রধানমন্ত্রী ও সিভিএফের চেয়ারম্যান বলেন, সিভিএফ একটি ‘জলবায়ু জরুরি চুক্তি’ নিয়ে এসেছে। এ চুক্তি জলবায়ু অর্থ প্রদানের পরিকল্পনাকে সমর্থন করে। আমরা কপ-২৬ এর প্রেসিডেন্সি এবং ইউএনএফসিসিসি এর সকল সদস্যকে কপ২৬ ঘোষণাপত্রের অংশ হিসেবে জলবায়ু জরুরি চুক্তি গ্রহণের আহ্বান জানাই।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button