fbpx
দেশবাংলা

বাবা মাকে নিয়ে সংগ্রামী জীবন ফরিদপুরের নগরকান্দার মিলির

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বাবা আর বৃদ্ধ মা,২ জনই অক্ষম।আয়ের কোনো উৎস না থাকায়,এই দম্পতির একমাত্র ভরসা দশম শ্রেণিতে পড়ূয়া মেয়ে,মিলি আক্তার।ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার আব্দুল বারেক ব্যাপারীর ১৭ বছর বয়সী মেয়ে মিলি,এক হাতে নিয়েছে,পরিবার দায়িত্ব,অন্য হাতে বই।বাবা-মাকে নিয়ে,সংগ্রামী জীবন তার। স্থানীয় একটি বাজারে চা বিক্রি কোরে পরিবারের দেখভালের পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছে,পড়ালেখা।

কিশোরী বয়সে বান্ধবীদের সাথে একটু গল্প,হাসি,আড্ডা আর না হয়,ভাই বোনের সাথে খুনসুটি, আর পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে মায়ের হাতের কাজে সাহায্য করা প্রধান কাজ হলেও,ফরিদপুরের নগরকান্দার তালমা ইউনিয়নের মিলির জীবনটা তেমন নয়। রসুলপুর বাজারে ছোট্র চায়ের দোকান চালিয়ে সংসার, আর নিজের লেখাপড়ার খরচ চালাতে, অনেকটা ক্লান্ত ধুতরাহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী,মিলি আক্তার।

আব্দুল বারেক ব্যাপারীর মেয়ে মিলি, শত অভাব-অনটনের মধ্যেও, জেএসসি পরীক্ষায় সুনামের সঙ্গে কৃতকার্য হয়।৭ বছর আগে বাবার অসুস্থতার কারনে, বাবার দোকানেই শুরু করেন,চা বানানোর কাজ।৬/৭ বছর ধরে চোখের দৃষ্টি হারিয়ে, চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছেন মিলির বাবা।টাকার অভাবে পারেননি চোখের চিকিৎসা করাতে।মা বৃদ্ধা মা শারীরিকভাবে অক্ষম।বাকী ভাইবোনরা বিয়ে করে পেতেছেন আলাদা সংসার।

মিলি জানায়,তার একটাই স্বপ্ন,লেখাপড়া করে উচ্চশিক্ষা অর্জন করা। আর তাই,লেখাপড়ার খরচ চালাতে সরকার এবং সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা চেয়েছে,সে।

এদিকে,মিলির যেকোন প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন তার পাশে থাকবে বলে ভরসা দিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।  সরকার ও বিত্তবানদের সহায়তায় চা বিক্রেতা মিলি পাবে নতুন জীবন।লেখাপড়া শিখে পূরন করবে তার স্বপ্ন।এমনটাই চাওয়া সবার।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button