
টানা এই সাফল্য নিয়ে জহির বলেন, আগের দিন দু’বার দৌড়েছি। হিট ও পরেরবার সেমিফাইনালে। মঙ্গলবার ফাইনাল হয়েছে। কিছুটা ধকল ছিল। এছাড়া সকালে আবহাওয়া অনুকূলে ছিল না। সবমিলিয়ে ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং হয়নি। তবে টানা ১০ম বার সেরা হতে পেরে আমি খুশি।
২০১৭-২০১৮ সাল থেকে টানা সাফল্য পাওয়ার রহস্য কী? জবাবে জহির বলেন, আমি নিয়মতি অনুশীলনের মধ্যে থাকি। এই তো জাতীয় আসরের আগে বিকেএসপিতে নিয়মিত ঘাম ঝরিয়েছি। স্বর্ণপদকের জন্য সবসময় নিজেকে প্রস্তুত রাখি। বলতে পারেন এটা আমার কঠোর পরিশ্রমের ফসল।
৪০০ মিটারে হঠাৎ ৪৮জন অ্যাথলেট। এমন উপস্থিতি দেখে জহির অবাক হননি। তিনি বলেন, আসলে দিনকে দিন এই ইভেন্টে আকর্ষণ বাড়ছে। মনে হচ্ছে সবাই আমাকে ছুঁতে চায়! এটা ভালো নতুনরা আসছে। তবে অ্যাথলেট বাড়লেও আমাকে কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। আমি আমার মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। বিশেষ করে আমার প্রিয় শেরপুরবাসীর কাছে দোয়া চাই। আপনারা সবাই সবসময় আমার পাশে ছিলেন। এজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করি সামনেও আপনারা আমার পাশে থাকবেন।



