
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হতে পারে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমারও আভাস দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
প্রথম দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সারাদেশের আবহাওয়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
দ্বিতীয় দিন শনিবার (৩ জানুয়ারি) সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এদিনও কুয়াশার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তৃতীয় দিন রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
চতুর্থ দিন সোমবার (৫ জানুয়ারি) ও পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ও সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চম দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।



