গণভোট নয়, শুধু সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ মিশন

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রধান বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নির্বাচন প্রত্যাশা করে ইইউ। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে পুরুষ, নারী, সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ সামাজিক সব গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ। কত শতাংশ ভোটার নির্বাচনে অংশ নিলো সেটি একটি বড় ব্যাপার।
নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইয়ার ইয়াবস বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায় ভারসাম্য আনতে হবে।
ইয়ার ইয়াবস জানান, আজ ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক ঢাকায় পৌঁছাবেন। প্রয়োজনীয় ব্রিফিং শেষে আগামী শনিবার তারা বাংলাদেশের সব বিভাগে মোতায়েন হবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায়। নির্বাচনের ঠিক আগে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক, পাশাপাশি ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি এবং কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষকরাতো থাকছেই।
তিনি জানান, ভোটের কাছাকাছি সময়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধিদলও মিশনকে শক্তিশালী করবে। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় এই মিশনে থাকবে ইইউর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদার দেশ থেকে আসা প্রায় ২০০ পর্যবেক্ষক।
ইয়ার ইয়াবস জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ নির্বাচনের দুই দিন পর ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে আমরা আমাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করব। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মিশন বাংলাদেশে থাকবে। প্রায় দুই মাস পর আমি আবার বাংলাদেশে ফিরে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করব, যেখানে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশও থাকবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচন ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব ভোটার ও প্রার্থীর জন্যই জরুরি হলো—নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধার করা।



