
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পাটকলগুলো পুনরায় চালু করা হবে এবং সেগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা হবে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পাট খাতের প্রতিবন্ধকতা দূর করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও শিল্প উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে কিছু মিল ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং আরও কিছু মিল চালুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪১৮.৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, কাঁচাপাট রপ্তানি নিরুৎসাহিত করে মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য উৎপাদন এবং ফিনিশড পণ্য রপ্তানিতে কর ছাড় ও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জাতীয় পাট দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ৬ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯ দিনব্যাপী পাট ও পাটপণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে, যেখানে খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সরকারি কর্মসূচিতে পাটের ব্যাগ ব্যবহার উৎসাহিত করা হবে।



