
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াত নেতা হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতেই হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা চলাকালে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সহিংসতায় রূপ নেয়। এতে মফিজুর রহমান সহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। প্রথমে যশোর এবং পরে ঢাকায় নেওয়া হলে মঙ্গলবার মফিজুর মারা যান।
সংঘর্ষে বিএনপির তিনজনও আহত হয়েছেন। তারা হলেন— সদ্য বহিষ্কৃত হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, তার বাবা জসিম উদ্দিন, এবং বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার।
জীবননগর থানায় নিহত হাফিজুর রহমানের ভাই বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৮–৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে মেহেদী হাসান ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।



