
খুলনা শহরে নতুন নোট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ফেরদৌস মোল্লা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন, ফলে ভুক্তভোগীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর খুলনা শাখার সামনে দীর্ঘদিন ধরে ছেঁড়া ও নতুন নোট বিনিময়ের কাজ করেন অন্তত ১০ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তাদেরই একজন ফেরদৌস মোল্লা কৌশলে সহকর্মী ছয়জনের কাছ থেকে নতুন নোট দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোট ৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। পরে তিনি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগীদের একজন আবুল কালাম আজাদ জানান, আট সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে তিনি সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে প্রায় ২ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, যা হারিয়ে এখন তিনি দিশেহারা। আরেক ভুক্তভোগী মোহাম্মদ জাহিদ বলেন, দীর্ঘদিনের সঞ্চিত ৯০ হাজার টাকা নতুন নোটের আশায় দিয়ে এখন তিনি চরম হতাশায় ভুগছেন।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা খুলনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ফেরদৌস মোল্লার পরিবার তাকে নিখোঁজ দাবি করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অল্প আয়ের এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতারণার শিকার হয়ে এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।



