
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হওয়া ৩৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি যুবক আলী হোসেনের মরদেহ বুধবার রাতে ফেরত দিয়েছে। ভারতীয় মাথাভাঙ্গা থানা-পুলিশ তাঁর লাশ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছে। নিহত হওয়ার প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর ভারত ও বিএসএফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি গ্রামের পানিয়ারটারী সীমান্ত এলাকা দিয়ে সাত থেকে আটজন গরু পারাপার করার সময় ভারতের সাতগ্রাম সীমান্তের ২০০ গজ ভেতরে আলী হোসেন নিহত হন। অন্যান্যরা পালিয়ে গেলেও তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
ঘটনার পরে বিজিবি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-র ৬১ ব্যাটালিয়ন ধবলগুড়ি ক্যাম্পের টহল দল সীমান্তে গিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের জন্য আহ্বান জানায়। বুধবার বেলা ১১টায় সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৭৫-এর কাছে দুই দেশের প্রতিনিধি ২০ মিনিটব্যাপী বৈঠক করেন। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ফালাকাটা বিএসএফ সেক্টরের ১৫৬ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট সৌরভ এবং বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিজিবির ৬১ ব্যাটালিয়নের লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম।
আলী হোসেনের রয়েছে স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলে।



