
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে। এই রায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে এবং বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দোলন এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মামলায় উপস্থাপিত প্রমাণে গুলির বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়নি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আবু সাঈদের পরিহিত গেঞ্জিতে কোনো গুলির ছিদ্র পাওয়া যায়নি এবং মরদেহেও গুলির আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন ছিল না। এমনকি কোনো এক্স-রে বা আধুনিক পরীক্ষার মাধ্যমেও গুলির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে যে ১২ বোর শর্টগানের কার্টিজ ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটিও জব্দ করা হয়নি। এ বিষয়ে তারা আদালতে একাধিক যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।
আইনজীবী দোলনের মতে, আসামিপক্ষ তাদের পক্ষে ২০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি আদালতে তুলে ধরেছিল। তবে প্রত্যাশিত রায় না পাওয়ায় তারা এখন পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করবেন এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর আশা, আপিলের মাধ্যমে আসামিরা ন্যায়বিচার পাবেন।



