নগদ অর্থসহ ‘কৃষক কার্ডে’ থাকছে যেসব সুবিধা

আগামী চার বছরে দেশের সব কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। প্রথম ধাপে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক এই কার্ড পাবেন।
রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ৮ বিভাগের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের বছরে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি এই কার্ডের মাধ্যমে আরও ১০ ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই কর্মসূচিতে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব রাখা হবে না।
প্রথম ধাপে অন্তর্ভুক্ত কৃষকদের মধ্যে থাকবেন কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি, দুগ্ধ খামারি এবং ভূমিহীন থেকে শুরু করে বড় কৃষক পর্যন্ত সবাই।
এছাড়া কৃষিমন্ত্রী জানান, জ্বালানি সংকট থাকলেও সেচ কার্যক্রমে কোনো সমস্যা হবে না। কৃষকদের পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে যে ১০টি সুবিধা পাওয়া যাবে:
- ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ
- সেচ সুবিধা
- সহজ শর্তে কৃষিঋণ
- স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি
- সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা
- মোবাইলে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য
- কৃষি প্রশিক্ষণ
- রোগ-বালাই দমনে পরামর্শ
- কৃষি বীমা
- ন্যায্য মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুযোগ
প্রথম পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন জেলার নির্দিষ্ট ব্লকে এই কার্ড বিতরণ করা হবে, যা সফল হলে ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।



