টাঙ্গাইলের কাইতলা পশুর হাট নিয়ে ষড়যন্ত্র, কোটি টাকা রাজস্ব হারাতে বসেছে সরকার

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা-এর ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাট ঘিরে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা ও বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় অর্ধশত বছরের পুরোনো এই হাটটি কোরবানির মৌসুমে গরু-মহিষ-ছাগল কেনাবেচার জন্য বিখ্যাত এবং এখান থেকে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব পায়। চলতি বছরও এই হাট থেকে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পাশের সখীপুর উপজেলা-এর দেওদিঘী হাটকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ নিয়ম ভেঙে পশুর হাট বসানোর চেষ্টা করছে, যা কাইতলা হাটের ব্যবসায় প্রভাব ফেলছে। এতে দুই হাটের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
কাইতলা হাটের ইজারাদার মাসুদুর রহমান অভিযোগ করেছেন, একই ধরনের হাট কাছাকাছি সময়ে বসালে দুই হাটই ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং রাজস্ব আদায়ে প্রভাব পড়বে। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
অন্যদিকে দেওদিঘী হাটের ইজারাদার শফিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, স্থানীয়দের চাহিদার ভিত্তিতেই সেখানে পশু বেচাকেনা হচ্ছে এবং কারও ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নেই।
এ বিষয়ে স্থানীয় পাইকার ও খামারিরাও অভিযোগ করেছেন, তাদের গরু এক হাট থেকে আরেক হাটে জোর করে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যার ফলে তারা ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারছেন না।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে দুই হাটকে ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।



