খেলাধুলাফুটবল

মাঠের গোলপোস্টের জাল নিয়ে পালালো কেইন

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বসেরা হয়েছে স্পেন। তবে শিরোপা জয়ের আনন্দে যখন স্প্যানিশ ফুটবলাররা উদযাপনে ব্যস্ত, তখন মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সবার নজর কাড়ে আরেক ছোট্ট তারকা—ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামালের তিন বছর বয়সী ভাই কেইন।

নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন। ম্যাচ শেষে ট্রফি হাতে উদযাপনের সময় বড় ভাই ইয়ামালের পাশে সারাক্ষণ দেখা যায় ছোট্ট কেইনকে। কখনো ভাইয়ের কোলে উঠতে চেয়েছে, কখনো আবার গাভি, পাউ কুবারসি ও মার্ক কুকুরেয়ার সঙ্গে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করে ফুটবল খেলেছে। বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তার আনন্দঘন মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্বকাপজয়ী দলের উদযাপনে কেইনের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ভক্তদের মন জয় করে নেয়। তার হাসি, দৌড়ঝাঁপ আর ট্রফি নিয়ে উচ্ছ্বাসের নানা দৃশ্য এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল।

এটি অবশ্য প্রথমবার নয়। ফাইনালের আগেও আলোচনায় এসেছিল ইয়ামালের ছোট ভাই। ১০ জুলাই লস অ্যাঞ্জেলেসে বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে নিজের মুখ দেখে একের পর এক মজার অভিব্যক্তি দিয়ে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সে। পাশে দাঁড়িয়ে বড় ভাই ইয়ামালও সেই মুহূর্ত উপভোগ করেন।

ফাইনালের আগে আরও একটি ছবি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ২০০৭ সালে ইউনিসেফের একটি ফটোশুটে শিশু ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন লিওনেল মেসি—এমন একটি পুরোনো ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ভাইরাল হয়। প্রায় দুই দশক পর সেই শিশুই বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়ী দলের সদস্য হন।

ফাইনালে আর্জেন্টিনা শেষ দিকে বড় ধাক্কা খায়। নির্ধারিত সময়ের পর এনসো ফের্নান্দেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। ম্যাচ শেষে উত্তেজনার মধ্যেই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায়।

অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে বল পেয়ে জোরালো শটে জয়সূচক গোল করেন ফেরান তোরেস। সেই গোলেই ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় স্পেন। দীর্ঘ ৩৯ দিনের টুর্নামেন্ট শেষে ট্রফি উঁচিয়ে ধরে শিরোপা উদযাপন করেন লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button