
রাজধানীবাসী মশার উপদ্রবে অতীষ্ঠ জীবন কাটাচ্ছে।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের চেয়ে অনেক খারাপ অবস্থা,ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অংশে।সিটি করপোরেশন গুলো অনেক টাকা খরচ করলেও তাতে কোন কাজ হচ্ছে না।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জে. জাকির হাসান জানান, আমাদের কর্মী যারা কাজ করছে,তাদের গাফিলতির কারনে এমন অবস্থা হতে পারে। এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মোতালেব মিয়া হলেন ঢাকা উত্তর সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের বালুঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষী । তিনি বলেন,সকাল সকাল দরজা খুলেই মশার উপদ্রবে অতীষ্ঠ হয়ে মশার কয়েল ধরিয়ে রাখতে হয় প্রায় সব কয়টি শ্রেণিকক্ষে।
তিনি বলেন, আমাদের এই স্কুলে কখনও মশার ঔষুধ দেয়া হয় না। মশার উপদ্রব এখানে অনেক বেশি। এই উপদ্রবে ছোট-বাচ্চারা পড়াশুনা করতে পারছে না , একই রকম অবস্থায় স্কুল ও এলাকাবাসীরা মশার এই উপদ্রবে চরম বিরক্ত ।
এটি একটি মাত্র স্কুলের কথা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বেশিরভাগ এলাকায় মানুষ মশার উপদ্রবে অতীষ্ঠ হয়ে পরেছে। কিন্তু সচরাচর দেখা যায় না সিটি কর্পোরেশনের মশক নিবারণ কর্মীদের।
ফগার মেশিন দিয়ে মশা দূর করার যে চেষ্টা করে সিটি কর্পোরেশন ,এতে কোন কিছু হয়না। সিটি কর্পোরেশনের ফিল্ড টেস্টেও বিষয়টি ,কোনমতে লার্ভা নিধনের ঔষুধ ছেটানো হয় ।
বাংলাটিভি/ফাতেমা



