আমার মানহানির জন্য দুদক কি দুঃখপ্রকাশ করবে: আসিফ মাহমুদ

বাংলা টিভি ডেস্ক: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে অনুসন্ধান শুরুর আগেই দুদক ‘দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে যে বক্তব্য দিয়েছে, তাতে নিজের মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আসিফ মাহমুদ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ লেখেন, দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে ‘দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে জানিয়েছেন। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনুসন্ধান শুরুর আগেই প্রমাণ পাওয়া গেছে—এমনভাবে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘প্রমাণ ও সত্যতা পাওয়ার নিউজে আসিফ মাহমুদের মানহানি করা হলো।’ একই সঙ্গে দুদকের কাছে তিনি জানতে চান, তার মানহানির জন্য কমিশন কোনো দুঃখপ্রকাশ করবে কি না।
এর আগে বুধবার দুপুরে দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম জানান, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অভিযোগে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পছন্দের ব্যক্তিদের পছন্দের জায়গায় পদায়নসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।
অভিযোগের অপর তিন ব্যক্তি হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং যুব-১ শাখার উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম।
এদিকে, দুদকের বক্তব্যের পর ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসিফ মাহমুদ দাবি করেছেন, অনুসন্ধান শুরুর আগেই এমন বক্তব্য দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।



