শ্রীপুরে আগুনে পুড়েছে মসজিদসহ ঝুটের গুদাম

বাংলা টিভি ডেস্ক: গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি টিনশেড মসজিদ, ঝুট ও তুলার গুদাম, স্যানিটারি দোকান, মুরগির দোকান, ফার্নিচারের দোকান, ভাঙারির দোকানসহ একটি বাড়ির ছয়টি ঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাত পৌনে ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর সিএমডি বাজারে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে শফিকুল ইসলামের দুটি গুদাম, রফিকুল ইসলামের স্যানিটারি ও রড-সিমেন্টের দোকান, শহিদুল ইসলাম ফালানের মুরগির দোকান, আরেক শফিকের তুলার গুদাম এবং কয়েকটি ফার্নিচারের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া একটি বাড়ির ছয়টি ঘরও আগুনে পুড়ে যায়।
ভাঙারি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম শফি জানান, আগুনে তার দুটি গুদামে থাকা মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দেড় কোটি টাকার বেশি সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
স্যানিটারি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, আগুনে তার দোকানের স্যানিটারি সামগ্রীর পাশাপাশি প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো সিমেন্টেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মুরগি ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ফালান জানান, রাতে পিকআপ ভ্যান থেকে দোকানে মুরগি নামানোর সময় হঠাৎ আগুন দেখতে পান তিনি। পরে তার চিৎকার শুনে বাজারের নিরাপত্তাকর্মীসহ আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত ৩টা ৫৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরে একই স্টেশনের আরও একটি ইউনিট এবং রাজেন্দ্রপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।



