বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় মানিকগঞ্জ জেলার উদ্যোক্তা বাছাই কার্যক্রম শুরু

বাংলা টিভি ডেস্ক: তৃণমূল পর্যায় থেকে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করা এবং তাদের অর্থায়নের মাধ্যমে স্বাবলম্বী সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় ‘উদ্যোগ’ (Upazila-Driven Youth Opportunity for Growth) কর্মসূচির আওতায় মানিকগঞ্জ জেলার তরুণ উদ্যোক্তাদের চূড়ান্ত বাছাই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
আগামী ৮ থেকে ১০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে তিন দিনব্যাপী এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এতে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার আবেদনকারী তরুণ উদ্যোক্তাদের সাক্ষাৎকার ও মূল্যায়নের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে অর্থায়নের জন্য নির্বাচিত করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে উপজেলাভিত্তিক সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের চিহ্নিত করে তাদের ব্যবসায়িক উদ্যোগ বাস্তবায়নে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ের আটটি জেলার মধ্যে মানিকগঞ্জের এই বাছাই কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নতুন উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং তাদের উৎসাহিত করতে বাছাই কার্যক্রমে দেশের খ্যাতনামা ব্যবসায়ী, করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও উদ্যোক্তারা মূল্যায়নকারী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে—
- সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড।
- রুবানা হক, চেয়ারম্যান, মোহাম্মদী গ্রুপ।
- সিমিন রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ট্রান্সকম গ্রুপ।
- মাহমুদ হাসান খান, সভাপতি, বিজিএমইএ।
- ফজলে শামীম এহসান, নির্বাহী সভাপতি, বিকেএমইএ।
- মোহাম্মদ নাসের এজাজ বিজয়, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- মাহমুদুল হাসান সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, অন্যরকম গ্রুপ।
- ফাহিম আহমেদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পাঠাও লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে আটটি জেলায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। বর্তমানে দেশের অবশিষ্ট ৫৬ জেলায়ও উদ্যোক্তা অনুসন্ধান ও আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম চলছে। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা, তৃণমূল পর্যায়ের তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা, নীতিগত সহায়তা ও বিশেষ অর্থায়নের সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক



