
শাকিল মুরাদ ও মেহেদী হাসান : শারদীয়া দুর্গোৎসবের বাকি মাত্র এক সপ্তাহ। মন্দিরে মন্দিরে চলছে দূর্গোৎসবের শেষ সময়ের প্রস্তুতি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে রঙের আঁচড়, অলংকরণ, মন্ডপ ডেকোরেশন এবং আলোক সজ্জা। আগামী ৪ অক্টোবর শুরু হবে দূর্গা পূজা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে দূর্গোৎসব।
দশভূজা দেবীর আগমনী বার্তায় উল্লোসিত হিন্দু সম্প্রদায়। দেবী দূর্গাকে বরণ করে নিতে শেরপুরের পাড়া মহল্লায় চলছে উৎসবের আমেজ। জেলায় এবার মোট ১শ ৪৪টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গাপূজা। দেবী দূর্গাকে দৃষ্টিনন্দন করতে শিল্পীরা কাজ করছেন বিরামহীন। তারপরেও কাটছে না তাদের আর্থিক দুরবস্থার।
কারিগররা জানান, মাটি, খড় ও সুতলির দাম বেড়ে যাওয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারছেন না তারা। বাজারমূল্যে তারা হিমশিম খেলেও প্রাণের টানে আসেন এ কাজে।
দেবী দূর্গাকে বরণ করে নিতে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ জানালেন, পরিষদের সভাপতি সুব্রত কুমার দে ভানু ।
সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত বললেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ।
এদিকে, মাদারীপুরের মন্দির ও পূজা মন্ডপগুলোতে চলছে সাজ সাজ রব। এবছর জেলার সর্বাধিক পুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজৈর উপজেলায়। এ উপজেলায় ২শ ৫০টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া শিবচরে ৬৩টি, কালকিনিতে ৬২টি ও সদরে ৭০টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
একেক মন্দিরে একেক সাজে সাজানো হচ্ছে দেবী দূর্গাকে। চলছে গেট ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ জানালেন, পুরহিত, প্রতিমা শিল্পীরা। এছাড়া শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের সু-দৃষ্টি চেয়েছেন আয়োজক কমিটির সভাপতি প্রানতোষ মন্ডল।
রঙ-তুলির শৈল্পিক আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা মনকাড়া দেবীর প্রতিচ্ছবির মতই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে সম্পন্ন হবে দূর্গোৎসব এ প্রত্যাশা সবার।
বাংলাটিভি/ নূর



