
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি (ডিজিটাল): অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কার্যক্রম ও পিলখানার বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) আকতার হোসেন।
হাফিজ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা গ্রামের প্রয়াত খন্দকার আবুল হাকাম মিয়ার ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও মির্জাপুর উপজেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য।
ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) আকতার হোসেন বলেন, বনানী থেকে হাফিজকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি এখন ডিবিতে আছেন। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা চালানোর অভিযোগে মামলা হতে পারে।
জানা গেছে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন হাফিজসহ সামরিক বাহিনীর সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হাফিজ ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছররা গুলিতে উপজেলার গোড়াই লালবাড়ি গ্রামের হিমেল নামে এক যুবকের দুচোখ অন্ধ হয়। এ ঘটনায় হিমেলের মা নাছিমা বেগমের করা মামলায় সাবেক মেজর হাফিজ দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামী।



