নদীরক্ষায় সারাদেশে শুরু হয়েছে উচ্ছেদ অভিযান

দেশের নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয় দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা ও সুপেয় পানির ক্ষেত্র বৃদ্ধির লক্ষ্যে, সারাদেশে অভিযান শুরু হয়েছে। ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ছোটবড় অবৈধ স্থাপনা। পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন মিলে নদ-নদী, খালসহ অন্যান্য সরকারি জলাধার তীরবর্তী এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে।
ফেনীতে ৬টি নদীসহ প্রায় ৩শরও বেশি খাল রয়েছে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে সদর উপজেলার কাজীরবাগ ইউনিয়নের রানীরহাট বাজারের কুমাড়িয়া খালের দু‘পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন।
ফেনী জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুজ্জামান জানান, নদী-খাল দখলমুক্ত করতে এ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে।
বগুড়ার রাজাবাজার রেলওয়ে ব্রীজ এলাকা থেকে অভিযানের উদ্বোধন করেন, জেলা প্রশাসক মোঃ ফয়েজ আহাম্মদ। এসময় ১৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
জামালপুর সদরের স্লুইচ গেইট এলাকার গবাখালী খালের আশপাশের ২৪টি অবৈধ স্থাপনা ও ঘরবাড়ী উচ্ছেদ করা হয়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় লাচ্ছি নদীর তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড.কে.এম কামরুজ্জামান সেলিম। ভোলা সদরের ঘুইংগার বাজারের খাল থেকে জাংগালীয়া নদী পর্যন্ত প্রায় ২শ মিটার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করা হয়।
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ৫৬শতাংশ খাস জমি উদ্ধার করে লাল নিশান টানিয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রেজাউল করিম। নরসিংদী সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ দখলমুক্ত করতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার অংশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে নদী রক্ষা কমিটি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বড় বাজার বিজনা পার্ট অংশে খালের উভয় পাড়ে ৩ কিলোমিটার জায়গার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলজুর নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা, বাঘেরহাট, টঙ্গিসহ দেশের বিভিন্নস্থানে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি



