দেশবাংলা

‘মাথা মোটা’ রোগে ঝুঁকিতে উৎস দে

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হতদরিদ্র বাবা-মার একমাত্র ছেলে উৎস দে ‘মাথা মোটা রোগে’ আক্রান্ত হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন পার করছে। তার জন্মের পর থেকে নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে এখন মৃত্যুর পথযাত্রী।

শিশুটির বর্তমানে ১৩ বছর হলেও এ রোগে আক্রান্তের কারণে তাকে দেখলে মনে হবে ৫ থেকে ৬ বছরের একটি শিশু। আর জেলা সিভিল সার্জন বলছেন, উন্নত চিকিৎসা করা হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে উৎস দে।

হাওরের জনপদ সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের শ্যামরচর গ্রামে হতদরিদ্র পিতা-মাতার ১৩ বছরের সন্তান উৎস দে। শিশুটি মাথা মোটা রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন পার করছে। ২০০৩ সালে যখন তার বয়স ৩ বছর তখন কোমরের পাশে একটি টিউমার দেখা দেয়।

তখনই বাবা অরুণ দে তার ছেলেটিকে সুস্থ্যের জন্য সহায় সম্বল বিক্রি করে সিলেট এম এ জি ওসমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিউমারের অপারেশন করেন। এরপর থেকেই ঐ শিশুটির মাথা মোটা হতে থাকে।

২০১৬ সালে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদালয়ে নেয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে তার কোমরের অপরেশনটা ভুল ছিল বলেই ছেলেটির মাথায় পানি জমে মাথাটি মোটা হওয়া শুরু করেছে। বর্তমানে সন্তানের চিকিৎসার জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন, তার পরিবারসহ এলাকাবাসী।

শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা করা হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আশুতোষ দাস।

সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি সরকার প্রধান এ শিশুটিকে সুস্থ করে তুলতে তার পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবেন এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

শাহরিয়ার সুমন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button