
প্রবাসীদের সহজ শর্তে ঋণদানসহ নানা খাতে আর্থিক সেবা দিতে, ২০১১ সালে সরকারি সহায়তায় প্রতিষ্ঠা পায়, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। অথচ, এর সাত বছর পরে এসেও দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ প্রবাসীই জানেন না, এ ব্যাংকটির কথা।
ফলে, সঙ্গতকারনেই প্রশ্ন উঠছে যাদের কল্যাণে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, সেই প্রবাসীরা সত্যিই কি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সেবা পাচ্ছেন ?
২০১১ সালের ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। তবে সে সময় পুঁজির ঘাটতি থাকায় বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে তারা। তবে চলতি বছর আর্থিক সমস্যা মিটে গেলে, পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কাজ শুরু করে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
তবে অবাক ব্যাপার হচ্ছে, এরই মধ্যে সাত বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রবাসীরাই জানেন না ব্যাংকটি সম্পর্কে। শুধু সরকারি এই ব্যাংকটিই নয়, বেসরকারি বাঁকি তিন এনআরবি ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই দশা। তবে যারা কিছুটা জানেন ব্যাংক গুলো সম্পর্কে তাদের রয়েছে এক ঝুড়ি অভিযোগ।
প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারি বেসরকারি এমন উদ্যোগ সাধুবাদ জানালেও, ব্যাংক গুলোর ঋণ গ্রহণে জটিলতা, হয়রানী, উচ্চ সুদহার না কমালে এর সুফল প্রবাসীরা পাবেন না বলে দাবি তাদের। এজন্য প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতে বেশি বেশি শাখা চালুর অনুরোধ জানিয়েছেন প্রবাসীরা।
রেমিট্যান্স পাঠানো, বিদেশে বসে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া,আকামা জটিলতা নিরসনসহ প্রবাসীদের যাবতীয় আর্থিক কার্যক্রমে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক গুলোর ভূমিকা বাড়ানোর তাগিদ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের।
সাইফুল রাজীব, জেদ্দা প্রতিনিধি



