কালিয়াকৈরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মুচি জসিমের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত
মুচি জসিমের বিরুদ্ধে বন বিভাগের ১৮টি মামলা রয়েছে

কালিয়াকৈরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মুচি জসিমের মৃত্যুর ৩৬ ঘন্টা পর বন বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা সকল স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
গতকাল দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ অভিযানে বিশাল আয়তনের সরকারী জমি উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য,চন্দ্রা এলাকায় বনের প্রায় ৩০বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছিল বহুতল বিশিষ্ট পাকা বাড়ি, মসজিদ, দোকান ও জুতার কারখানা।
বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ গাজীপুর জেলা শাখার সেক্রেটারী জসিমের বিরুদ্ধে বন বিভাগের ১৮টি মামলা রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সন্ত্রাসীদের দু’গ্রুপের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী জসিম নিহত হয়।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার গজারি বনের ভেতর সন্ত্রাসীদের দুগ্রুপের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী জসিম ইকবাল ওরফে মুচি জসিম
নিহত হওয়ার ৩৬ঘন্টা পর অবৈধভাবে তার দখলে থাকা বন বিভাগের ৩০ বিঘা জমি।
শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও বন বিভাগের যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা হয় বিশাল আয়তনের ঐ জমি।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় বন বিভাগের প্রায় ৩০বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছিল বহুতল পাকা বাড়ি,মসজিদ,সেমিপাকা বাসাবা বাড়ি,দোকান,জুতার কারখানা।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘ দিন ধরে চন্দ্রা এলাকায় বন বিভাগের প্রায় ৩০ বিঘা জমি জবর দখল করে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি,
দোকানপাট নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বন খেকো জসিম ইকবাল ওরফে মুচি জসিম ও তার লোকজন।
শনিবার দিনভর অভিযান করে দোকানপাট ও ঘর-বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে উদ্ধার করা হয় বনের জমি।
উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার গজারি বনের ভেতর সন্ত্রাসীদের দুগ্রুপের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী জসিম নিহত হয়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বনখেকো জসিমকে উদ্ধার করে শহিদ তাজউদ্দীন মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত: ঘোষনা করেন।
নিহত বনখেকো জসিমের বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় ১৮টি বন মামলা রয়েছে।
অভিযানে গাজীপুর জেলাও উপজেলা প্রশাসন. বন বিভাগও পুলিশ কর্মকর্তা- কর্মচারীরা অংশগ্রহন করে।
কালিয়াকৈরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট শাহ মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা জানান
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বনের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা ভ্রামন আদালতের মাধ্যমে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
কালিয়াকৈরবেন রেঞ্জ কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে গড়ে উঠা জমিতে থাকায় স্থাপনা উচ্ছেদের কারণে বন বিভাগের ৩০ বিঘা জমি উদ্ধার করা হয়েছে।
যার আনুমানিক মুল্য একশত কোটি টাকার উপরে হবে। জসিম উদ্দিন বিভিন্ন সময় দুই শতাধিক বাড়ী-ঘর তৈরি করে বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করেছিল।
বন কর্মকর্তারা বাধা দিলে নারী কেলেঙ্কারীসহ নানা ভাবে লাঞ্চিত করতো জসিম ও তার লোকজন।



