ঈদ উদযাপনে গ্রীস এবং মধ্যপ্রাচ্যে অনেকটাই পার্থক্য পরিলক্ষিত

এবারের ঈদুল ফিতর উদযাপনে ইউরোপের দেশ গ্রীস এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনেকটাই পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে। বিধিনিষেধ শিথিল থাকায় গ্রীসে ঈদ উদযাপনে তেমন কোনো বাঁধার সম্মুখীন হননি দেশটির প্রবাসীরা। অপরদিকে, কাতারে কড়া বিধিনিষেধ জারি থাকায় ঘরবন্দী হয়ে ঈদ পালন করেছেন প্রবাসীরা।
করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার কম থাকায় গ্রীসে কুমুদুরু পার্কে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত না হলেও, দূতাবাসসহ বেশকিছু স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রীসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রবাসীদের সাথে অনলাইনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। গ্রীসে করোনার প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক কম থাকায়, দেশটিতে অনেকেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পার্ক, সমুদ্র ইত্যাদি স্থানে বেড়াতে গেছেন।
এদিকে, কাতারে কড়া বিধিনিষেধ থাকায় মসজিদ বা ঈদগাহ, কোথাও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রবাসীরা ঘরোয়াভাবেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। বাইরে ঘোরাফেরায়ও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কাতারে রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধের কারণে কেউ বাইরে ঘুরতে বের হননি। ফলে, ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বিপুল সংখ্যক প্রবাসী।
অনেকেই দেশে টাকা পাঠাতে না পারায় অনুশোচনায় ভুগছেন। তবে, প্রবাসীরা সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। করোনাভাইরাসকে জয় করে পৃথিবীর মানুষ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবে এমন প্রত্যাশা করেছেন উভয় দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা।



