অন্যান্যবাংলাদেশ

প্লাজমা থেরাপির জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা

মহামারি করোনা ভাইরাসের কাছে অসহায় গোটা বিশ্ব। শক্তিধর দেশগুলো যখন ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও এর সম্ভাব্য চিকিৎসা ব্যবস্থা  নিয়ে চিন্তিত তখন বিজ্ঞানীরাদের আশার আলো দেখাচ্ছে প্লাজমা থেরাপি। ইতিমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষামূলক শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পাশাপাশি আক্রান্ত হওয়ার প্রথম দিকে যদি কারো শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা যায় তাহলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব। আর সেজন্য প্রয়োজন সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা।

নভেল করোনাভাইরাস। চীনের উহানে প্রথমে শনাক্ত হওয়া এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রায় সব দেশে। এতে প্রতিনিয়ত মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যু।

এখন পর্যন্ত মহামারি এ রোগের চিকিৎসায় কার্যকর কোন উপায় বের করতে সক্ষম হয়নি বিশ্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। তবে গত মাসে করোনাজয়ী রোগীর রক্ত থেকে প্লাজমা নিয়ে অসুস্থ মানুষের চিকিৎসায় অনেকটা সফল হয়েছে চীন, ইতালি আমেরিকাসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ।

এর ধারাবাহিকতায় ১৬ই মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাথমিকভাবে ৪৫ জন গুরুতর অসুস্থ করোনা রোগীর ওপর প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। এতে ফলও পাওয়া যায় অনেকটাই আশা ব্যাঞ্জক। আর এ চিকিৎসায় বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার রয়েছে সবুজ সঙ্কেত।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলোজি বিভাগের প্রধান  ডাঃ এম এ খান বলেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়েলের পাশাপাশি প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগের দরকার। তবে প্রয়োজন সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার। এছাড়া সব কিছুর পরেও করোনা থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ এই বিশিষ্ট চিকিৎসকের।

বুলবুল আহমেদ, বাংলাটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button