অন্যান্যবাংলাদেশ

বাজেটে করোনা সংকট মোকাবেলাকে গুরুত্ব দেয়ার তাগিদ অর্থনীতিবিদদের

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ

করোনা মহামারি সংকটে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করা হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এবার বাজেট হতে হবে টিকে থাকার এবং অর্থনীতিকে ধরে রাখার।

করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুয়ায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে আগামী ১১ জুন। আসন্ন বাজেটের সাম্ভব্য আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিলো ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।

এদিকে, অর্থনীতিবিদরা বলছেন-করোনা সংকটের কথা মাথায় রেখে আগামী বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে স্বাস্থ্য খাতকে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত  সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী। এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি বরাদ্দ দেয়া অর্থ যেন জনগণ পায় এবং অর্থ অপব্যবহার বন্ধের সুপারিশ করেছেন অর্থনীতিবিদেরা। বাজেটে কৃষি খাত ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা নির্ধারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তবে করোনা সংকটের এসময়ে অর্থনীতির নানা চাহিদা মেটাতেই করতে হচ্ছে খরচ, অথচ বাড়ছে না আয়। উল্টো করোনার প্রভাবে থুবড়ে পড়েছে রাজস্ব খাত। চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে সরকার তাই হেঁটেছে সহজ পথে। বাড়িয়েছে ব্যাংকের কাছে দায় দেনা। তবে বাজেটের ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক নির্ভর না হওয়ার পরামর্শ দেন অর্থনীতিবিদরা

করোনা সংকটে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ায় চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে প্রায় অবাস্তব তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে আগামী ২০২০-২১অর্থবছরের বাজেটে প্রণিত হচ্ছে। তবে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, এমন অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।

আরমান কায়সার, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button