
রাজধানীর গুলশানে বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডে ৫ রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির অকার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা আর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিলেছে। এমন তথ্য উঠে এসেছে ফায়ার সার্ভিসের ।
তদন্ত প্রতিবেদনটি ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভষ্মীভূত করোনা ইউনিটটি অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয়েছিল। অবকাঠামো পারটেক্স দিয়ে তৈরি, যা অতিমাত্রায় দাহ্য।
আগুন লাগার সময় রোগীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়নি। এ কারণে আগুন লাগার পর একজন রোগীও বের হতে পারেননি। সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ অতিদাহ্য অনেক পদার্থ রাখা ছিল বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক জানান, আইসোলেশন ইউনিটে আগুন লাগার পর যথেষ্ট সময় পেয়েছিলেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। কিন্তু তারা আগুন নেভাতে কোনও কাজ করেননি। ভবিষ্যতে এ ধরনের টেম্পোরারি শেড তৈরি করতে হলে অবশ্যই অগ্নি নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং এগুলোকে কেন্দ্রীয় ফায়ার প্রকেটশন সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে বলে জানান তিনি।
ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানান, হাসপাতালের সামনের অংশে নির্মাণ করা আইসোলেশন ইউনিটে কোনও ধরনের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। ভেতরে এসি ছিল। ওই এসিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগ দেখা দিলে সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা ছড়িয়ে পাড়ে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে রাতে ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আগুন লাগে। সেখানে ভর্তি থাকা পাঁচ জন রোগী আগুনে পুড়ে মারা যান। পাঁচ জনের মধ্যে তিন জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। বাকি দু’জনে নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছিল



