
করোনা মোকাবেলায় বাজেটে পর্যাপ্ত দিক নির্দেশনা নেই বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। এ সময় বাজেট ঘাটতি পূরণে অতিমাত্রায় ব্যাংক নির্ভরতা ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগকে বাঁধাগ্রস্থ করবে বলেও মত দেন আলোচকরা। শনিবার এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ সব কথা বলেন আলোচকরা।
সিপিডি’র বাজেট সংলাপে বক্তারা বলেন, ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে প্রস্তাবিত ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট করোনা সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। বক্তারা রাজস্ব বোর্ডের কঠোর সমালোচনা করে কর নির্ধারণ ও আহরণে আলাদা প্রতিষ্ঠান নিয়োগের দাবিও জানান।
সংলাপে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান হাবিব মনসুর বলেন, ধারাবাহিকভাবে এই সময়ে ১ বছরের বাজেট করা উচিত হয়নি। বরং ৬ মাস অন্তর অন্তর দুটি বাজেট করা উচিত ছিলো। এর মধ্যে প্রথম ৬ মাস করোনা মোকাবিলায়। পরের ৬ মাস করোনা পরবর্তী করণীয় কেন্দ্রীক।
তিনি বলেন, এবারের বাজেটে আয়কর ২ লাখ থেকে ৩ লাখে বাড়ানো হয়েছে। এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত করার প্রস্তাব করছি। তবে বাজেটে প্রত্যক্ষ করে নিম্নবিত্তের সুবিধা কম দেওয়া হয়েছে। আর উচ্চবিত্তদের আরও বেশি সুবিধা দেয়া হয়েছে।
এসময়, বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ভালো ব্যবসায়ীদের জন্য হতাশার উল্লেখ করে তা প্রত্যাহেরও দাবি জানান তারা। বাজেট ঘাটতিপূরণে ব্যাংকিংখাত থেকে ৮৪ হাজার ৯শ’ ৮৩ কোটি টাকার সংস্থান ধরা হলেও, এ খাতের সংস্কারে কোনো নির্দেশনা না থাকা হতাশার বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।



